ভোলা প্রতিনিধিঃ সারাদেশের মত উপকূলীয় জেলা ভোলায় বাড়ছে শীতের প্রকোপ। এতে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ। বিশেষ করে শিশুদের নিউমোনিয়া আক্রান্তের হার অনেক বেশি।
শনিবার(৭ জানুয়ারি) জেলা সদর হাসপাতালে নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ১৭ জন ভর্তি হয়েছে। যারমধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ইমা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতের নাম মুনতাহা (৪ মাস)। সে চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে।
এছাড়াও জেলায় গত এক সপ্তাহে নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ১৩৭ টি শিশু। বর্তমানে সদর হাসপাতালে শীতজনিত রোগে চিকিৎসাধীন আছে ৬২ টি শিশু। যাতের বেশিরভাগ নিউমোনিয়া আক্রান্ত।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরে উপকূলীয় জেলা ভোলায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ বিরাজ করছে। একে বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জন জীবন। শীত কষ্টে ভুগছেন মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী বাঁধের পাড়ে বাসিন্দারা।
আবহাওয়া অফিসের অবজারভার মোঃ মাহবুব রহমান জানান, ভোলায় দিনের তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং বাতাসের আদ্রতা ঘন্টায় ৩ নটিক্যাল।
শনিবার সকাল গড়িয়ে দুপুর বয়ে গেলেও মেলেনি সূর্যের দেখা ঘন কুয়াশায় মোড়ানো ছিলো বিস্তীর্ন জনপদ। হারকাপানি শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হত দরিদ্র মানুষ। বেশিরভাগ দিন মজুর কাজে যেতে পারছেন না। তবে জেলা প্রশাসনের কাজ থেকে বরাদ্দকৃত শীত বস্ত্র প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল থাকায় সবার ভাগ্যে জুটেনি গরম কাপড়।
এব্যাপারে জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন বর্মকর্তা এসএম দেলোয়ার হোসেন বলেন, জেলায় ৩০ হাজার পিস কম্বল বরাদ্দ হয়েছে যার অসহায় দুস্থ্য এবং ষাটার্ধদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আরও বরাদ্দ পেলে বিরতণ করা হবে।
মনজুর রহমান/ইবিটাইমস