সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক

মুক্তিযুদ্ধ,স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে ড.  মোঃ ফজলুর রহমানের ধারাবাহিক মতামত। এটি লেখকের নিজস্ব মতামত। এর সাথে ইউরোবাংলা টাইমসের সম্পাদকীয় নীতিমালার সম্পর্ক নেই । 

 পর্ব-৪ 

ড. মোঃ ফজলুর রহমানঃ (২৮)রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য এবং বাংলা একাডেমীর প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. মাযহারুল ইসলাম “স্থপতি এবং ঘোষক” শীর্ষক এক নিবন্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় একটি ঘোষণার কথা উল্লেখ করেছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র আক্রমণ শুরু হওয়ার পর এবং উপরোক্ত প্রথম ঘোষণার পর পরই উক্ত দ্বিতীয় ঘোষণাটিও বঙ্গবন্ধু নিজেই ইংরেজীতে তৈরী করেন। পরে সেটি ওয়ারলেসে তাঁর রাজনৈতিক সহচর চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা জহুর আহমেদ চৌধুরীর নিকট প্রেরণ করেন। উপরোল্লিখিত দ্বিতীয় ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু বলেন- Declaration of the War of Independence- “Pak army suddenly attacked EPR base at Peelkhana, Rajarbag Police Line and killing citizens. Street battles are going on in every street of Dacca and Chittagong. I appeal to the nations of the world for help. Our freedom fighters are gallantly fighting the enemy to free the motherland. I appeal and order you all in the name of Almighty Allah to fight the last drop of blood to liberate the country. Ask the Police, EPR, Bengal Regiment and the Ansars to stand by you and fight. No compromise. Victory is ours. Drive out the last enemy from the holy soil of motherland. Convey this message to all Awami League leaders, workers and other patriots. May Allah bless you. Joy Bangla.” (Sk Mujibur Rahman)

(২৯)উপরোক্ত দ্বিতীয় ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু বলেন- “পাক বাহিনী অতর্কিতে পিলখানা; ই,পি,আর, ঘাঁটি ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে নাগরিকদের হত্যা করছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রত্যেক রাস্তায় যুদ্ধ হচ্ছে। আমি বিশ্বের জাতিসমূহের নিকট সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি। মাতৃভূমিকে মুক্ত করার জন্য আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা শত্রুর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। আমি সর্ব শক্তিমান আল্লাহ্‌র নামে আবেদন করছি এবং সবাইকে নির্দেশ দিচ্ছি, দেশকে স্বাধীন করার জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও যুদ্ধ চালিয়ে যান। আপনাদেরকে সমর্থন দান এবং যুদ্ধ করার জন্য পুলিশ; ই,পি,আর; বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং আনসার বাহিনীকে বলুন। কোন আপোষ নয়। আমাদের বিজয় অবধারিত। জন্মভূমির পবিত্র মাটি থেকে সর্বশেষ শত্রুকেও তাড়িয়ে দিন। এই বাণী আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, কর্মী ও অন্যান্য দেশপ্রেমিক এবং স্বাধীনতাকামীকে পৌঁছে দিন। আল্লাহ্‌র রহমত আপনাদের উপর বর্ষিত হোক। জয় বাংলা। শেখ মুজিবুর রহমান” [দ্রঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, আব্দুল মতিন, পৃষ্ঠা নং- ১৭]

(৩০)বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এবং তাঁরই নির্দেশে চট্টগ্রামের তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হান্নান ২৬শে মার্চ রাতেই দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করতে থাকেন। এতদসংক্রান্ত ব্যাপারে Anthony Mascarenhas তাঁর “Bangladesh: A Legacy of Blood” (1986) বইয়ের “Zia: The Man and the Mythশিরোনামের একাদশ পরিচ্ছদে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করেছেন। বেতার কর্মী বেলাল মোহাম্মদকে উদ্ধৃত করে তিনি উল্লেখ করেছেন- “১৯৭১ এর ২৬শে মার্চ দুপুর ০২-৩০ মিনিটে এম, এ, হান্নানই প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাটি পাঠ করেন।” কিন্তু মাত্র ১০ (দশ) কিলোহার্টজের ট্রান্সমিটারে প্রচারিত সেই ঘোষণাটি মাত্র ৬০ (ষাট) মাইলের মধ্যকার সামান্য সংখ্যক মানুষই শুনতে পেয়েছিল। এহেন অবস্থায় তিনি (এম, এ, হান্নান) আমাদের মহান স্বাধীনতার দ্বিতীয় ঘোষক বটে

(৩১)স্বাধীনতার মহান স্থপতি শেখ মুজিব কর্তৃক উপরোক্ত প্রথম বার এবং তারও পরে এম, এ, হান্নান কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর পক্ষে দ্বিতীয় বার স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করা সত্ত্বেও ২৭শে মার্চ দুপুরের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ অনুধাবন করেন যে, সামরিক কোন কর্মকর্তার মুখ দিয়ে এই ঘোষণা প্রচার করানো হলে, প্রতিরোধরত বাঙালি আরও অধিক পরিমাণে অভয় পাবে এবং অনুপ্রাণিত হবে। একই সাথে তাদের প্রতিরোধ স্পৃহা এবং রণ প্রস্তুতি আরও বহুলাংশে জোরদার এবং বেগবান হবে। এহেন ধারণার বশবর্তী হয়েই তারা সামরিক কর্মকর্তার সন্ধানে বোয়ালখালীতে আসেন। পরে তারা চট্টগ্রাম জেলায় কর্মরত তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেন।

(৩২)উপরোল্লিখিত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ঐ দিন অর্থাৎ ২৭শে মার্চ সন্ধ্যা ৭-০০ ৭-৩০ টার দিকে মেজর জিয়া বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তৃতীয় বারের মতো স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। ঐ দিনের পরের দিন অর্থাৎ ২৮শে মার্চ এবং তারও পরে ৩০শে মার্চ তারিখেও চট্টগ্রাম বেতার থেকে তাঁর (মেজর জিয়ার) এহেন ঘোষণাটি প্রচারিত হয় বটে। উপরোল্লিখিত একই ঘোষণা একাধিকবার প্রচারিত হওয়ার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় যে, জিয়াউর রহমান আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক নহেন। বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তিনি উক্ত ঘোষণাটি পাঠ করেছেন মাত্র। মেজর জিয়া উপরোক্ত ২৭শে মার্চ যে ঘোষণা দেন, তা নিম্নরূপ – “The Government of the sovereign state of Bangladesh on behalf of our great leader, the supreme commander of Bangladesh Sheikh Mujibur Rahman, I do hereby proclaim the independence of Bangladesh and that the government headed by Sheikh Mujibur Rahman has already been formed. It is further proclaimed that, Sheikh Mujibur Rahman is the sole leader of the elected representatives of the seventy five million people of Bangladesh and the government headed by him is the only legitimate government of the independent sovereign state of Bangladesh, which is legally and constitutionally formed and is worthy of being recognised by all the governments of the world. I therefore, appeal on behalf of our great leader Sheikh Mujibur Rahman to the neighbouring countries to recognise the legal government of Bangladesh and take the effective steps to stop immediately the awful genocide that has been carried on by the army of occupation from Pakistan. To dub out the legally elected representative of the majority of the peoples as secessionist is a crude joke and contradiction to truth which should be fool none. The guiding principle of the new state will be first neutrality, second peace and third friendship to all and enmity to none. May Allah help us. Joy Bangla.” [দ্রঃ বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস কর্তৃক সংরক্ষিত মেজর জিয়ার স্বকণ্ঠ ভাষণের অডিও টেপ]।

(৩৩)প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, মেজর জিয়াউর রহমানের ২৭শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের ঐতিহাসিক মূল কপিটি নিরাপত্তার কারণে পরে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। [দ্রঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র, ৩য় খণ্ড, ১৯৮২, পৃষ্ঠা নং- ২]। তবে তাঁর স্বকণ্ঠে প্রচারিত উপরোক্ত ঘোষণাপত্রটির বাণীবদ্ধ টেপ অনেকের নিকটই সংরক্ষিত রয়েছে বটে। জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত উপরোক্ত ঘোষণা এবং তাঁর স্বকণ্ঠের ধারণকৃত টেপ বাজিয়ে শুনলে যে কেউই দেখতে পাবেন এবং শুনতে পাবেন যে, তিনি তাঁর ঘোষণায় বঙ্গবন্ধুকে শুধু “একমাত্র” এবং “মহান নেতা” বলেই ক্ষান্ত হননি। বরং তাঁর উক্ত ঘোষণার শেষে তিনি “জয় বাংলা”  ও বলেছেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি “জয় বাংলা” শুনলে আজ অনেকেরই পিলে চমকে যায়। আবার কারও  কারওবা গাত্রদাহ শুরু হয়। এর সঠিক এবং অন্তর্নিহিত কারণ সমূহ খুঁজে বের করা দরকার।

(৩৪)প্রতিটি সচেতন বাঙালিই জানেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মোট ১১ জন সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে একজন ছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তথা Proclamation of Independence এর অধীনে অন্যান্য সেক্টর কমান্ডারদের মতো জিয়াউর রহমানও মুক্তিযুদ্ধ করে “মহান মুক্তিযোদ্ধা” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এই ঘোষণাপত্রের ৬ নং দফায় পরিষ্কার ভাবে বর্ণিত রয়েছে যে, ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” যথাযথ ভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন Whereas in the facts and circumstances of such treacherous conduct Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the undisputed leader of 75 million people of Bangladesh, in due fulfilment of the legitimate right of self-determination of the people of Bangladesh, duly made a declaration of independence at Dacca on March 26, 1971 and urged the people of Bangladesh to defend the honour and integrity of Bangladesh… [দ্রঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিল্পত্র, তৃতীয় খণ্ড, ১৯৮২, পৃষ্ঠা নং-৪]অর্থাৎ “যেহেতু এইরূপ বিশ্বাসঘাতকতামূলক আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জনগণের আত্ম নিয়ন্ত্রণের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ তারিখে ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের মর্যাদা ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান…।”

(৩৫)উপরোল্লিখিত একই ঘোষণাপত্রের ১০ নং দফায় বাংলাদেশের জনগণের নির্বাচিত জন প্রতিনিধিগণ বঙ্গবন্ধুর উক্ত ঘোষণাকে যথারীতি নিশ্চয়তাও প্রদান করেছেন […… (We, the elected representatives of the people of Bangladesh, as honour bound by the mandate given to us by the people of Bangladesh whose will is supreme duly constituted ourselves into a Constituent Assembly,  and having held mutual consultations, and in order to ensure for the people of Bangladesh equality, human dignity and social justice,declare and constitute Bangladesh to be a sovereign People’s Republic and thereby confirm the declaration of independence already made by Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and ……) [ অর্থাৎ সেহেতু আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী জনগণ কর্তৃক আমাদিগকে প্রদত্ত কর্তৃত্বের মর্যাদা রক্ষার্থে, নিজেদের সমন্বয়ে যথাযথ ভাবে একটি গণ পরিষদ রূপে গঠন করিলাম, এবং পারস্পরিক আলোচনা করিয়া, এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করণার্থে, সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করিলাম এবং তদ্দারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ইতিপূর্বে ঘোষিত স্বাধীনতা দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করিলাম, এবং …]।

(৩৬)উপরোল্লিখিত ঘোষণাপত্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের মূল স্তম্ভ বটে। এই ঘোষণা ছিল বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের তথা স্বাধীনতার সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। সেই অর্থে উপরোক্ত ঘোষণা আমাদের পবিত্র সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই কারণে এই ঘোষণা আমাদের মহান স্বাধীনতার মূল ভিত্তি তথা বীজমন্ত্রও বটে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে যারা স্বীকার করেন, তারা সবাই জানেন যে, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সুচিন্তিত দিক নির্দেশনার আলোকে এবং তাঁদেরই সুদক্ষ পরিচালনায় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। আর উপরোক্ত সরকারের নির্দেশ এবং তাঁদের দ্বারা ঘোষিত উপরোল্লিখিত ঘোষণাপত্রের আলোকেই সুদীর্ঘ ৯ (নয়) টি মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। আর এহেন ঘোষণাপত্রকে মেনে নিয়েই সবাই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং যার যার সাধ্য মতো অসামান্য অবদান ও রেখেছেন।

(৩৭)বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে যারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন, তাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছেন, যিনি উপরোক্ত ঘোষণাপত্রকে অস্বীকার করবেন? আর যদি তা না থাকেন এবং অস্বীকার না করেন, তিনি কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেননি; ঘোষণা করেছেন জিয়াউর রহমান। তাই কেউ ঘুমিয়ে থাকলে তার ঘুম ভাঙ্গানো যায়। কিন্তু কেউ যদি জেগে ঘুমান, কিংবা ঘুমের ভান করেন, তাহলে তার ঘুম ভাঙ্গানো যাবে না। আর ঠিক এ কারণেই সুপ্রতিষ্ঠিত সত্যকে যারা কুৎসিত ও কদর্য মানসিকতার বশবর্তী হয়ে বাক চাতুর্যের মাধ্যমে অস্বীকার করেন কিংবা বিকৃত করেন অথবা করতে চান, তাদের এহেন হীন রুচিবোধ এবং অসুস্থ মন ও মানসিকতা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত, এহেন দিবালোকের মতো সত্য ঘটনা তাদেরকে দিয়ে স্বীকার করানো যাবে না। সত্য প্রত্যাখ্যানকারী এইসব ভণ্ড মিথ্যাবাদীদের উদ্দেশ্যে শুধু এটুকুই বলা যায় যে, আকাশের চাঁদকে যদি কেউ স্বীকার করেন, তবে ভাল। আর যদি স্বীকার না ও করেন, তা ও ভাল। তবে সেক্ষেত্রে বলতে হবে যে, তারা হয় চাঁদকে দেখেন না অথবা দেখেও মিথ্যা বলেন ।                                                                                      

ড. মোঃ ফজলুর রহমান,সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (অবঃ), লেখক ও কলামিস্ট

(চলমান)

EuroBanglaTimes

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »